35>|| চৈতন্য---চেতন----অবচেতন ||
চৈতন্য কোনো মস্তিষ্কের সৃষ্টি নয়, বরং মস্তিষ্কই চৈতন্যের মধ্যে এক রকমের প্রকাশ। গভীর ঘুমে শরীর ও মন লীন হয়ে যায়, কিন্তু চৈতন্য (সচেতন সত্তা) থেকে যায়। অদ্বৈত বেদান্ত বলে যে চৈতন্যই একমাত্র বাস্তব সত্য, আর সবকিছুই তার প্রকাশ মাত্র।
গীতা হল উপনিষদের সারাংশ, যা শ্রীকৃষ্ণ অর্জুনকে মহাভারতের যুদ্ধক্ষেত্রে উপদেশ দেন, আর সেটাই জীবনযুদ্ধের প্রতীক। চৈতন্যই চিরন্তন সত্য।। Consciousness is the eternal truth.
চৈতন্য::----
"চৈতন্য" শব্দের অর্থ হল চেতনা, জ্ঞান বা সচেতনতা। এটি সংস্কৃত শব্দ এবং বাংলা ভাষায় বিভিন্ন অর্থে ব্যবহৃত হয়। এটি সাধারণত মানসিক অবস্থা, অনুভূতি এবং আত্ম-সচেতনতাকে বোঝায়। এছাড়াও, এটি শক্তি, উদ্দীপনা বা আত্ম-উপলব্ধি অর্থেও ব্যবহৃত হয়।
"চৈতন্য" শব্দের কিছু সাধারণ অর্থ হল:
চেতনা:
এটি হল কোনো ব্যক্তি বা বস্তুর প্রতি সচেতন হওয়া বা উপলব্ধি করা।
জ্ঞান:
এটি হল কোনো বিষয় বা বস্তু সম্পর্কে ধারণা বা জ্ঞান থাকা।
সচেতনতা:
এটি হল নিজের এবং চারপাশের পরিবেশ সম্পর্কে সচেতন হওয়া।
আত্ম-উপলব্ধি:
এটি হল নিজের প্রকৃতি এবং সত্তা সম্পর্কে উপলব্ধি করা।
শক্তি:
এটি হল মানসিক বা শারীরিক শক্তি বা উদ্যম।
"চৈতন্য" শব্দটি প্রায়শই আধ্যাত্মিক এবং দার্শনিক প্রেক্ষাপটে ব্যবহৃত হয়, যেখানে এটি পরম সত্য বা সর্বোচ্চ চেতনার সাথে সম্পর্কিত। এটি মানব জীবন এবং প্রকৃতির গভীর অর্থ প্রকাশ করে।
চৈতন্য (চেতনা)
চৈতন্য (সংস্কৃত: चैतन्य) বলতে 'সচেতনতা', 'চেতনা', 'সচেতন স্ব', 'বুদ্ধিমত্তা' বা 'শুদ্ধ চেতনা'-কে বোঝায়। ... এটি শক্তি বা উদ্দীপনাকেও বোঝাতে পারে।
==========================
চেতন::---
চেতন বা চেতনা (Consciousness) শব্দের অর্থ হল -- সচেতনতা, জ্ঞান বা উপলব্ধি থাকা। এটি সাধারণত নিজের অস্তিত্ব, অনুভূতি, চিন্তা এবং পারিপার্শ্বিক পরিবেশ সম্পর্কে সচেতন থাকার অবস্থাকে বোঝায়। উইকিপিডিয়া অনুসারে।
আরও বিস্তারিতভাবে, চেতনা বলতে বোঝায়:
সচেতনতা: নিজের এবং চারপাশের পরিবেশ সম্পর্কে অবগত থাকা।
সংজ্ঞা: কোনো কিছু সম্পর্কে স্পষ্ট ধারণা থাকা।
অনুভূতি: বোধ এবং উপলব্ধি থাকা।
হুঁশ: সাধারণ জ্ঞান বা বুদ্ধি।
অনুভব: কোনো কিছু অনুভব করার ক্ষমতা।
জাগ্রত অবস্থা: ঘুমের বিপরীত, যেখানে মানুষ স্বাভাবিকভাবে কাজকর্ম করতে পারে।
চেতনার বিভিন্ন দিক রয়েছে, যেমন:
আত্ম-চেতনা: নিজের অস্তিত্ব সম্পর্কে সচেতন থাকা। উইকিপিডিয়া অনুসারে
সংবেদনশীলতা: অনুভূতি গ্রহণ করার ক্ষমতা।
পৃথকীকরণ ক্ষমতা: নিজের এবং পরিবেশের মধ্যে পার্থক্য বুঝতে পারা।
চেতনার ধারণাটি মনোবিজ্ঞান, দর্শন এবং স্নায়ুবিজ্ঞানের মতো বিভিন্ন ক্ষেত্রে আলোচিত হয়।
চেতনা (ইংরেজি: Consciousness) মনের একটি ধর্ম বা বৈশিষ্ট্য যাকে আরও অনেকগুলি মানসিক বৈশিষ্ট্যের সমষ্টি হিসেবে গণ্য করা হয়, যেমন আত্মমাত্রিকতা, আত্মচেতনা, অনুভূতিশীলতা, পৃথকীকরণ ক্ষমতা, এবং নিজের সত্তা ও আশেপাশের পরিবেশের মধ্যকার সম্পর্ক অনুধাবনের ক্ষমতা। মনের দর্শন, মনোবিজ্ঞান, স্নায়ুবিজ্ঞান এবং বোধ বিজ্ঞানে চেতনা নিয়ে ব্যাপক গবেষণা হয়।
======================
অবচেতন::----
অবচেতন (Subconscious) হলো মনের সেই অংশ যা আমাদের সচেতন উপলব্ধির বাইরে থাকে, তবে আমাদের চিন্তা, অনুভূতি এবং আচরণকে প্রভাবিত করে। এটি আমাদের পূর্বের অভিজ্ঞতা, স্মৃতি, এবং প্রবৃত্তি দ্বারা গঠিত। সহজ কথায়, অবচেতন মন হল এমন একটি ভাণ্ডার যেখানে আমাদের চেতন মনের বাইরে থাকা তথ্য জমা থাকে।
অবচেতন মনের কিছু বৈশিষ্ট্য:
সচেতন মনের বাইরে:
অবচেতন মন আমাদের সচেতন উপলব্ধির বাইরে থাকে, অর্থাৎ, আমরা এটি সম্পর্কে সরাসরি সচেতন নই।
চিন্তা ও অনুভূতিকে প্রভাবিত করে:
অবচেতন মন আমাদের চিন্তা, অনুভূতি এবং আচরণকে প্রভাবিত করে, যদিও আমরা এটি সম্পর্কে সচেতন নই।
স্মৃতি ও অভিজ্ঞতার ভাণ্ডার:
এটি আমাদের পূর্বের অভিজ্ঞতা, স্মৃতি, এবং প্রবৃত্তিগুলির একটি ভাণ্ডার।
বিভিন্ন আবেগ ও প্রবৃত্তি:
অবচেতন মনে আবেগ, প্রবৃত্তি, এবং অচেতন ইচ্ছাও থাকতে পারে।
অবচেতন মনের ধারণাটি মনোবিজ্ঞান এবং মনোবিশ্লেষণে গুরুত্বপূর্ণ। এটি আমাদের আচরণ এবং মানসিক প্রক্রিয়াগুলির একটি গুরুত্বপূর্ণ অংশ।
অবচেতন
চেতন মনে জাগ্রত অবস্থায় মানুষ পারিপার্শ্বিক জগতের সাথে সংযোগ রাখে। অবচেতন মনে সংযোগ রাখে অন্তর্জগতের সাথে অর্থাৎ অতীত স্মৃতি ও জৈবিক প্রয়োজনসমূহের সাথে। অবচেতন থাকা ব্যাক্তির প্রতিচ্ছবি।
========================
No comments:
Post a Comment